কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৪ এ ১২:৩৫ AM
আজীবন বীমা (লাভবিহীন) (টেবিল নং-২১)
কন্টেন্ট: পাতা
ভূমিকা:
কর্পোরেশনের আজীবন বীমা কিন্তু সত্যি সত্যি আজীবন বীমা নয়। কারণ বীমাগ্রাহক যদি ৮৫ বছর বয়স পর্যন্ত জীবিত থাকেন তবে তিনি নিজেই বীমাকৃত টাকা পেয়ে যাবেন। এ পরিকল্পনায় প্রিমিয়াম হার সব চাইতে কম। সর্বনিম্ন ব্যয়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার সুবিধা এই বীমায় পাওয়া যায়।
যাদের জন্য উপযোগী:
বিভিন্ন পদে কর্মরত ব্যক্তিবর্গ, প্রবাসীগণ, ব্যবসায়ীগণ অথবা অন্যান্য পেশাজীবী যারা স্বল্প প্রিমিয়াম দিয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য জীবনের ঝুঁকি গ্রহণ করতে ইচ্ছুক, তাদের জন্য এই পরিকল্পটি বিশেষভাবে উপযোগী।
বৈশিষ্ট্যাবলী/সুবিধাবলী:
- প্রবেশকালীন সর্বনিম্ন বয়স ২০ এবং সর্বোচ্চ ৫৫ বছর।
- সর্বোচ্চ বীমা অঙ্ক বীমাগ্রাহকের আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী।
- ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত প্রিমিয়াম জমা প্রদান করতে হবে।
- এই পরিকল্পনায় বীমাকৃত অর্থ কেবল বীমার মেয়াদ অতিক্রন্ত হওয়ার পরেই অর্থাৎ ৮৫ বছর বয়সে মূল বীমা অংক পাওয়া যায়।
- প্রিমিয়াম পরিশোধ পদ্ধতি: ষান্মাসিক ও বার্ষিক।
- এই পরিকল্পনায় বীমা অঙ্ক ৫,০০০/- টাকার কম হলে প্রিমিয়াম প্রদান পদ্ধতি অবশ্যই বার্ষিক হবে কিন্তু ৫,০০০/- টাকার বেশি কিন্তু ১০,০০০/- টাকার কম হলে ষান্মাসিক কিস্তিতে প্রদান করা যাবে।
- এই বীমার সঙ্গে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু কিংবা দুর্ঘটনাজনিত অঙ্গহানি সুবিধা যোগ করা যেতে পারে। বীমাগ্রাহকের ৬০ ও ৫৫ বছর বয়সের সময় যথাক্রমে এই অতিরিক্ত সুবিধাগুলি বাতিল হয়ে যাবে।
- এই বীমায় পারিবারিক নিরাপত্তা সুবিধা যোগ করা যেতে পারে। অবশ্যই তার সর্বোচ্চ মেয়াদ ২০ বছরের বেশী হবে না।
- প্রদত্ত প্রিমিয়াম উপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়।
- বীমা স্কিমটি ২ (দুই) বা ততোধিক বছর সচল থাকার পর বীমাগ্রাহককে ঋণ ও সমর্পণ মূল্য প্রদান করা যাবে।
- মরণোত্তর দাবীর টাকা আয়করমুক্ত।